Home / লেখক / মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

আমি হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার ৬নং শাহজাহানপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি,মাধবপুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এবং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রথমে সাধারন সম্পাদক ও পরে সভাপতি হিসাবে আজ ৩৬ বৎসর যাবৎ দলের একজন নগণ্য কর্মী হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছি।

আমাদের শাহজাহানপুর ইউনিয়নে (তেলিয়াপাড়া) যারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আওয়ামী লীগ এবং বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে আপত্তিকর বক্তব্য দিতো, নৌকায় ভোট দেওয়ায় চা-শ্রমিকের পেন্ট কেটে নির্যাতন করেছিল, যারা প্রতিমা ভাঙ্গছিল ও হিন্দু সম্পত্তি দখল ও চাঁদাবাজী করে রাম রাজত্ব কায়েম করেছিল, সংখ্যালঘু মা-বোনদেরকে নির্যাতন করেছিল, যারা স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার পরিবারের পৃষ্ঠপোষক ছিল,এ ছাড়া ১৯৯১ ও ২০০১ সালে যারা আমাকে ও আমার আত্মীয়স্বজনসহ দলীয় নেতাকর্মীকে মিথ্যা হত্যা মামলা দিয়ে বিভিন্নভাবে নিঃশেষ করেছিল এবং আজ সেই দালাল পরিবারের লোকজন কিভাবে শ্রমিকলীগ নেতা সেজে আওয়ামীলীগের সভায় নেতৃত্ব দেয়? তা’ আজ তৃণমূলের অসহায় নির্যাতিত কর্মীরা জানতে চায়। স্হানীয় আওয়ামীলীগসহ এই সমস্ত নির্যাতিত পরিবারের লোকজন আজও তাদের বিষয়ে কেউ কিছুই জানে না কিভাবে কার ছত্র ছায়ায় আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠনে স্হান পায়।

যারা প্রতিনিয়ত আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ দলীয় নিরীহ নেতাকর্মীকে নির্যাতন ও আমাদেরকে এলাকাছাড়া করেছিল, যারা দীর্ঘ ২১ বছর আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধাচারণ করেছে, হবিগঞ্জ জেলার তেলিয়াপাড়া বাজারে বঙ্গবন্ধুর স্বঘোষিত খুনি ডালিম ও ফারুককে এনে জনসভা করে প্রকাশ্য জনসভায় আমাদেরকে মৃত্যুর হুমকীও দিয়েছিল , যাদেরকে ১৯৯৭ সালে স্হানীয় জনগণসহ আমাদের দলীয় কর্মীরা অস্রসহ ধরে পু্লিশে দিয়েছে, আজ তাদের পরিবারের সদস্যরা কিভাবে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিকলীগের নেতা হওয়ার সুযোগ পায়, তা আমাদের বোধগম্য নয়।

এছাড়া ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনপূর্ব সময়ে আবারও এক বিতর্কিত ব্যক্তির নেতৃত্বে এই তেলিয়াপাড়ায় ‘পরিবর্তন প্রত্যাশী’ নামে একটি সংগঠন বানিয়ে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীর উপরে যে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছিল আজ তারাই বড় আওয়ামীলীগার হয়ে গেছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট আমার আকুল আবেদন, এখন সময় এসেছে আপনি সরকারি গোয়েন্দা বা দলের দায়িত্ববান নেতাদেরকে দিয়ে জরুরি ভিত্তিতে বিষয়টি অনুসন্ধান করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন এবং তাদের অবৈধ অর্থের উৎসের খোজ-খবর নিবেন।
আপনার নিকট এটাই আমাদের প্রত্যাশা রহিল।

কে এই বহুরূপী, সুবিধাবাদী আওয়ামীলীগ নেতা? যে, এই সমস্ত বিএনপি-জামায়াত- রাজাকারের সহযোগী পরিবারকে মুখোশ পাল্টাইয়া আওয়ামীলীগ বা শ্রমিকলীগ নেতা হওয়ার সুযোগ করে দিল? -তাদেরকে আগে খুজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে এবং এদেরকে প্রতিহত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
জয়-বাংলা, জয়বঙ্গবন্ধু।

লেখক:
বাবুল হোসেন খান
সভাপতি
শাহজাহানপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ,
মাধবপুর, হবিগঞ্জ।
তাং২৯/১২/২০১৯ইং

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ইলেকশন না সিলেকশন?

বাবুল হোসেন খান: আগামি ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ইং রোজ বুধবার হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত ...