Home / ফেইসবুক কর্নার / চেতনার অগ্নিবীণা দেশরত্ন শেখ হাসিনা…… টি এইচ এম জাহাঙ্গীর

চেতনার অগ্নিবীণা দেশরত্ন শেখ হাসিনা…… টি এইচ এম জাহাঙ্গীর

j

নৌকার বিজয় মানে বাঙ্গালী জাতির বিজয় এই নৌকার বিজয়ের মধ্য দিয়ে জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন স্বার্বভৌম বাংলাদেশ। নৌকার বিজয়ের মধ্য দিয়ে পরাধীনতার শেঁকল থেকে মুক্ত হয়েছিল বাঙ্গালী জাতি। ৬০ এবং ৭০ এর দশকের সেই নৌকার মাঝি ছিল বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। আজ বঙ্গবন্ধু আমাদের মাঝে নেই কিন্তু আমাদের মাঝে রেখে গিয়েছেন তার পবিত্র আমানত তার আদরের কন্যা হাসুকে যিনি পুরো পরিবারকে হারিয়ে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাবার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করে দেশটাকে সন্মানজনক স্হানে নিয়ে যাওয়ার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

দেশদ্রোহীরা তার পুরো পরিবার শেষ করে দিয়েছিল কি দরকার ছিল বিদেশের আরাম আয়েশ ফেলে বিদ্ধস্ত বাংলাদেশে ফিরে আসার ! সমীকরনটা এখানেই বুঝিয়ে দেই, শেখ হাসিনা ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল। যখন তিনি কলেজ জীবন সমাপ্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখলেন তখন দেশে চরম অস্থিরতা চলছে তিনি খুব কাছ থেকে সেই সময়কার বাস্তব পরিস্থিতিগুলো উপলদ্ধি করেছেন। শেখ হাসিনা দেখেছে তার বাবাকে দিনের পর দিন জেলে কাটাতে, দেখেছে লড়াকু মায়ের সংগ্রামী জীবন। কিভাবে একটি দেশকে স্বাধীনতা এনে দিতে তার পরিবার দিনের পর দিন ত্যাগ স্বীকার করেছে সেই বিষয়গুলোও খুব ভালভাবে উপলব্ধী করেছেন তিনি তাইতো বা্বার মৃত্যুর পর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশে ফিরে এসেছিলেন। কারন যে দেশটির জন্য তার পুরো পরিবার ত্যাগ স্বীকার করেছে দিনের পর দিন, ১৭ বছর তার বাবা জেলে কাটিয়েছে যে দেশটির স্বাধীনতা চাওয়ার অপরাধে সেই দেশটিকে জানোয়াররা ছিন্ন ভিন্ন করবে এটা শেখ হাসিনা মেনে নিতে পারেনি। শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সেই দিন থেকে শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ এবং বাঙ্গালী জাতির নবযাত্রা কিন্তু থেমে থাকেনি জানোয়ারেরাও ! এক দুইবার নয় ১৯ বার হামলা চালিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছে তারা! কখনও বোমা পুঁতে রেখে, কখনও গাড়ি বহরে হামলা চালিয়ে, কখনও লাইভ বুলেট দিয়ে, কখনও আর্জেস গ্রেনেড হামলা চালিয়ে। শেখ হাসিনা ব্যতিত পৃথিবীর কোন রাজনৈতিক নেতা, পৃথিবীর কোন সরকার প্রধান এতবার হামলার শিকার হননি। তবুও তিনি পিছিয়ে যাননি কারন তিনিতো বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা, তার শরীরে তার ধমনীতে বঙ্গবন্ধুর রক্ত সে রক্তের তেজ কতটা সেটা পাকিস্তানীরা খুব ভালভাবে বুঝতে পেরেছিল।

নিজের জীবন বিপন্ন করে বাঙ্গালী জাতিকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তার সংগ্রাম। দেশবিরোধী শক্তির হাত থেকে বাঙ্গালী জাতিকে রক্ষার জন্য তার সংগ্রাম। তাই নৌকার বিজয় ছাড়া অন্য কোন উপাই নেই দেশটাকে দেশবিরোধী শক্তির হাত থেকে রক্ষা করার। নৌকার পক্ষে আপনার একটি ভোট স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির ভীতকে আরও মজবুত করবে। দেশ বিরোধী রাজাকারের বাচ্চাদের ধানের শীষ প্রতীক দিয়ে সন্ত্রাসবাদী বিএনপি যে মরন খেলায় মেতে উঠেছে সেই মরন খেলাকে প্রতিহত করতে নৌকায় আপনার একটি ভোটই যথেষ্ট। গনতন্ত্রের পিঠ জাতীয় সংসদে রাজাকারের বাচ্চারা প্রবেশ করবে বীর বাঙ্গালী সেটা কখনও মানতে পারেনা।

৩০ ডিসেম্বর সারাদিন নৌকায় ভোট দিন ।

print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Number of Visitors

4.com/wp-content/plugins/xt-visitor-counter/styles/image/web/2.gif' alt='2'>4.com/wp-content/plugins/xt-visitor-counter/styles/image/web/0.gif' alt='0'>4.com/wp-content/plugins/xt-visitor-counter/styles/image/web/2.gif' alt='2'>8975
Users Today : 520
x

Check Also

ডন

ভাবনা ক্লাব সিলেটে-১

আজিজুস সামাদ ডন: সেদিন ভাবনা ক্লাবে যেয়ে দেখি অস্থির ব্যাপার স্যাপার। সবাই খুব উত্তেজিত। কেউ ...