Home / Breaking News / খুলনা-৫ আসনের মনোনয়ন ফরম কিনলেন নারায়ন চন্দ্র চন্দ

খুলনা-৫ আসনের মনোনয়ন ফরম কিনলেন নারায়ন চন্দ্র চন্দ

minis

সংবাদ পরিক্রমা: খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া ও ফুলতলা) আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন।

আজ শুক্রবার আওয়ামীলীগ সভানেত্রীর ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া ও ফুলতলা) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ মনোনয়ন ফরম বিক্রির প্রথম দিনে তা সংগ্রহ করেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনে সব তৎপরতা, গণসংযোগ ও সভা-সমাবেশ করার নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের।

.09

একই সঙ্গে তিনি নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মেনে চলার নির্দেশনা দেন।

তিনি বলেন, ফরম বিক্রি মনিটরিং করবেন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক। এ ছাড়া তাদের সঙ্গে আরও কয়েক সদস্য থাকবেন। মনোনয়ন ফরম বিতরণের শেষ সময় জানানো হবে।

গতবার মনোনয়ন ফরমের দাম ২৫ হাজার টাকা থাকলেও এবার তা পাঁচ হাজার বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

নারায়ণ চন্দ্র চন্দ’র জীবনী

নারায়ণ চন্দ্র চন্দ’র জন্ম ১৯৪৫ সালের ১২ মার্চ। খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার উলা গ্রামের কালিপদ চন্দের মেঝো ছেলে তিনি। তার মায়ের নাম রেনুকা বালা চন্দ। স্ত্রী ঊষা রানী চন্দও পেশায় একজন শিক্ষক। চার সন্তানের জনক নারায়ণ চন্দের তিন ছেলে ও এক মেয়ে।
নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ১৯৬১ সালে ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মেট্রিক পাস করেন। ১৯৬৩ সালে দৌলতপুর বিএল কলেজ থেকে এইচএসসি, ১৯৬৬ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স এবং ১৯৬৭ সালে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন। এর পরপরই তিনি ডুমুরিয়া সাহস নোয়াকাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

১৯৭৩ সালের ৭ মে নারায়ণ চন্দ্র চন্দ খুলনার ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এই বিদ্যালয় থেকেই তিনি মেট্রিক পাস করেছিলেন। তার প্রচেষ্টায় ১৯৭৪ সালে ডুমুরিয়া স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র চালু হয়। এর আগে এই এলাকার পরীক্ষার্থীদের খুলনা শহরে গিয়ে পরীক্ষা দিতে হতো। শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পরপরই তিনি সেখানে প্রতিষ্ঠা করেন থানা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি। তিনি সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৭ সালে চন্দ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তিনি ২০০৫ সালের ১১ মার্চ শিক্ষকতা পেশা থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

ছাত্রজীবন শেষ করে ১৯৬৭ সালেই তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৬৮ সালে আওয়ামী লীগের থানা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। ১৯৮৪ সালে তিনি থানা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদণ হন। ১৯৯৫ সালে থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। সর্বশেস তিনি ২০০৩ সালে গঠিত উপজেলা কমিটিতেও সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। সেই থেকে আজও থানা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে চলেছেন নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ।

বাংলাদেশে প্রথম অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে তিনি ডুমুরিয়া উপজেলার ভাণ্ডারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এ পদে তিনি ছয় বার নির্বাচিত হন। সেই সময়কালের সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সালাহউদ্দিন ইউসুফের মৃত্যুর পর ২০০০ সালের ২০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ওই আসনের উপ- নির্বাচনে নারায়ণ চন্দ্র চন্দকে ডুমুরিয়া-ফুলতলা আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি চারদলীয় জোটের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পুনরায় একই আসন থেকে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হন। এলাকার মানুষের কাছে জনপ্রিয়, পরিশ্রমী হিসেবে পরিচিত নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় একই আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন।

এদিকে তার নির্বাচনি এলাকা বাসিন্দা সংবাদপরিক্রমা২৪.কম কে বলেন, দলের জন্য নিবেদিত ও পরিশ্রমী একজন সংগঠক নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। তিনি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর ডুমুরিয়া ও ফুলতলায় তার মেয়াদকালের গত পাঁচ বছরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করেছেন।

print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

জব্বার

ছুটির দিনেও ভেজাল প্রতিরোধে ভোক্তা অধিকারের হানা, জরিমানা ৪৫ হাজার

সংবাদ পরিক্রমা ডেক্স: রাজধানীর মিরপুর-১ এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ ও ভেজাল ওষুধ/পণ্য বিক্রি, পণ্যের গায়ের মুল্য তালিকা ...